আত্মসম্মানের পাঠ

আত্মসম্মানের পাঠ

ক্যাম্পাসের পুরোনো, জীর্ণ অ্যালুমিনিয়াম গেট সংলগ্ন পথটি তখনো তারুণ্যের চঞ্চল পদধ্বনিতে মুখরিত। এই পথ কেবল ইট-পাথরের নয়, এটি ছাত্রজীবনের স্বপ্ন, সংগ্রাম ও আত্মপরিচয় খুঁজে নেওয়ার এক নিরন্তর স্রোতধারা। এই ব্যস্ত ভিড়ে হাঁটছিল ইমরান, হাতে তার পুরনো ব্যাগ ও কিছু কাগজপত্র। মুখে এক স্থির শান্তির ছাপ থাকলেও, চোখে ছিল দৃঢ়তার উজ্জ্বল শিখা। তবে ভেতরটা কিছুটা ব্যথিত; কারণ আজকাল ক্যাম্পাসে মতবিরোধ ও অশ্রদ্ধার বিষাক্ত বর্ণনা যেন স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

হঠাৎ একদল তরুণের জটলা থেকে একটি কণ্ঠস্বর ভেসে এলো। সোজাসুজি, কটু, যেন আঘাত করার উদ্দেশ্যেই তার জন্ম: “তগো মুসলিম মাইয়াগো তো আমরা খেয়ে দিচ্ছি!” স্ল্যাং-ভরা এই উচ্চারণটি কেবল শব্দ নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধের উপর এক নৃশংস আক্রমণ। ইমরান সেই কণ্ঠ শুনেই থমকে গেল। রাগ তার বুকের ভেতর ফুটতে লাগলো, কিন্তু সে শান্তভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের প্রজ্ঞাবান সিদ্ধান্ত নিলো।

এই কটু মন্তব্যের উৎস ছিল ইমরানের প্রতিবেশী রূপক, যে নিজেকে আধুনিকতার খোলসে মুড়ে রেখে প্রায়শই ধর্মীয় বিষয়াদির প্রতি তাচ্ছিল্য প্রকাশ করত। রূপকই সেদিন মুখে হাসি নিয়ে সেই অশালীন মন্তব্যটি করেছিল।

ইমরান ধীরে ধীরে এগিয়ে গেল, তার কণ্ঠস্বর শান্ত কিন্তু প্রত্যয়ী, “ভাই, এভাবে কথা বলা ঠিক নয়। তোমার এই মন্তব্য কেবল আমাদের সমাজকে ক্ষতই করবে, মানুষ হিসেবে দুর্বল করবে।” রূপক সেটিকে গ্রাহ্য করল না; বরং চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলো, “আচ্ছা, তাহলে তোকে দেখাই? তোমাদের মুসলিম নারীর চরিত্র কেমন, কী দিয়ে চিনব?”

রূপক এখানে মুসলিম নারীদের চরিত্র নিয়ে যে নেতিবাচক ধারণা সমাজে প্রচলিত, সেটিকে প্রমাণ করার জন্য ইমরানকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছিল। সে ইঙ্গিত করছিল যে মুসলিম নারীরা তাদের চরিত্র ও মর্যাদার যে দাবি করে, তার সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। এটা ছিল চরম অবমাননাকর এক উস্কানি।

ইমরান জানতেন এই মুহূর্তটি শিক্ষার। সে বলল: “একটি বিখ্যাত হাদিস আছে। সহীহ মুসলিমের ৪৫৩০ নং হাদিসে বর্ণিত, ‘আবু বকর ইবনে আবি শাঈবা (রাহঃ) ……… আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, (তার মা) উম্মে সুলাইম হুনাইনের যুদ্ধের দিন একটি খঞ্জর ধারণ করেছিলেন, আর সেটি তার সঙ্গে ছিল। আবু তালহা তাঁকে দেখতে পেয়ে বলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! ইনি উম্মে সুলাইম। আর তার সাথে একটি খঞ্জর রয়েছে। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাকে বললেনঃ এ খঞ্জর কিসের জন্য? তিনি বললেন, এটা এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্মী মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে, তবে এটা দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হাসতে লাগলেন।’”

এই হাদিসটি উল্লেখ করে ইমরান দেখাল, মুসলিম নারী মানে দুর্বলতা নয়, বরং আত্মমর্যাদা ও আত্মরক্ষার এক দৃঢ় প্রতীক।

কিন্তু রূপক হাদিসের কথা শুনে কিছুটা ভয় পেল, কিন্তু উপহাস করে বলল, “হাদিস দেখাচ্ছিস? তোরা তো এসব বলে নিজেদের শুধু মজবুত দেখাতে চাছ। কিন্তু কাজ কি করিস?”

কথাটি যেন ইঙ্গিত করে যে বাইরের ধর্মীয় বক্তব্য ভেতরে খালি। মুসলিমরা কেবল বাহ্যিকভাবে নিজেদের মহৎ প্রমাণ করতে চায়, কিন্তু বাস্তবে তাদের কর্ম ও চরিত্র সেই দাবির পক্ষে যায় না। অর্থাৎ, তাদের ভিতরটা শূন্য। ইমরান এই সন্দেহ দূর করতে চরিত্র গঠনের তিনটি মূল ভিত্তি তুলে ধরল।

ইমরান সোজা দৃষ্টিতে রূপকের দিকে তাকিয়ে উচ্চারণ করল: “আল্লাহভীতি (তাকওয়া), লজ্জা (হায়া), এবং অটল আত্মমর্যাদা—এই তিনটিই আসল চরিত্র। তুমি যদি তা না বোঝো, তবে বুঝবি কীভাবে একজন মু’মিনার এবং চরিত্রহীন মানুষের মধ্যে তফাৎ?”

ইমরান তাকওয়া ও লজ্জার গুরুত্ব বোঝাতে আরও বলল, “লাজুকতা ঈমানের অঙ্গ, আর ঈমানের স্থান জান্নাতে। আর নির্লজ্জতা হল রূঢ়তা, আর রূঢ়তার স্থান জাহান্নামে।” (তিরমিযী ২০০৯)।

উপস্থিত সকলে যখন কৌতূহলী, ইমরান তখন নীরবে তাঁর ব্যাগ থেকে একটি ছোট্ট কাগজ বের করল। সেখানে উম্মে সুলায়মের জীবনী থেকে কিছু খন্ড খন্ড পড়ে শোনাল। যেমন যুদ্ধাহতদের সেবা-শুশ্রুষায় তার ভূমিকা, এবং আত্মরক্ষায় সহীহ মুসলিমের ৪৫৩০ নং বর্ণিত হাদিস। ইমরান বলল, “এটাই মুমিন নারীর চরিত্রের পরিচয়। হাস্যকর অবমাননার মুখে হার না মানা, কিন্তু আত্মরক্ষার তাগিদে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো।”

রূপক চুপ হয়ে গেল। সে বুঝতে পারল, সম্মান কেবল পোশাক নয়, তা এক অদম্য মানসিকতা।

ইমরান এখন লাইব্রেরির কোণে বসে, তার কণ্ঠস্বর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। রূপক আবারও এলো, তবে এবার কণ্ঠে বিরক্তি নয়—উদ্বিগ্নতা। সে সরাসরি প্রশ্ন করল, “তুমি কীভাবে এত নিশ্চিত? হিজাব পড়লেই নারীরা চরিত্রবান? মিয়া খলিফাও তো হিজাব পরে ছবি নেয়। তাহলে কি হিজাবের কোনো মানে নেই?”

ইমরান শান্ত কণ্ঠে উত্তর দিল, “পোশাক কোনো মনুষ্যত্বের পরিমাপক নয়; পোশাক কেবল একটি বহির্মুখ। কিন্তু একজন মু’মিন যখন পর্দা মানে—তা বোঝায় সে আল্লাহর নির্দেশ মেনে চলছে। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

“মুমিন পুরুষদের বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটাই তাদের জন্য শুদ্ধতর। তারা যা-কিছু করে আল্লাহ সে সম্পর্কে পরিপূর্ণ অবগত।

এবং মুমিন নারীদের বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে এবং নিজেদের ভূষণ অন্যদের কাছে প্রকাশ না করে, যা আপনিই প্রকাশ পায় তা ছাড়া, এবং তারা যেন তাদের ওড়নার আঁচল নিজ বক্ষদেশে নামিয়ে দেয় এবং নিজেদের ভূষণ যেন স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভাতিজা, ভাগিনেয়, আপন নারীগণ, যারা নিজ মালিকানাধীন, যৌনকামনা নেই এমন পুরুষ খেদমতগার এবং নারীদের গোপনীয় অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ বালক ছাড়া আর কারও সামনে প্রকাশ না করে। মুসলিম নারীদের উচিত ভূমিতে এভাবে পদক্ষেপ না করা, যাতে তাদের গুপ্ত সাজ জানা হয়ে যায়। হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তাওবা কর, যাতে তোমরা সফলতা অর্জন কর। ” (সূরা নূর: ৩০-৩১)

সে নিজের অন্তরের সীমানা গড়ে তুলছে। যে ব্যক্তি শুধু পোশাক পরে, কিন্তু অন্তরে লজ্জা, ঈমান নেই, তার পোশাক কেবল এক ছদ্মবেশ।” ইমরান আরও যোগ করে বলল, “হাদিসে এসেছে: ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের আকার-আকৃতি ও ধন-সম্পদের দিকে দৃষ্টি দেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমলের দিকেই দৃষ্টি দেন।’ (সহীহ মুসলিম ৬৩১০)। একজন মানুষ বাহ্যিকভাবে যেকোনো ধর্মীয় লেবেল নিতে পারে; কিন্তু চরিত্র তথা ঈমানের বিচার সম্পূর্ণ আলাদা। বাহ্যিক সাজসজ্জা কখনোই অন্তরের দুর্বলতা ঢাকতে পারে না।”

রূপক খিটখিট করে উঠলো, “তাহলে আমরা কীভাবে চিনব কে সত্যিকারের?” ইমরান কাঁধে হাত রাখল, “রূপক, তুমি যদি কোনো সংকীর্ণ দৃষ্টিতে আটকে থাকো, তুমি মানুষকে ভুল ভাববে। চরিত্র থাকে না অবস্থানে। চরিত্র হলো ভেতরের কাজ। সততা, লজ্জা, সম্মানের প্রতিফলন। এগুলোই মানবীয় বৈশিষ্ট্যের পরিচায়ক।”

বিতর্কে লোকজন দুই ভাগে ভাগ হলো। ইমরান বলল, “এই বিতর্কে আমরা একটি মূল জিনিস ভুলে যাচ্ছি—‘মানবিক মর্যাদা’। যে ব্যক্তি কাউকে ‘খেয়ে ফেলার’ মতো অশ্লীল কথাবার্তা বলে সে নাম মাত্র সামাজিকতা জানে। মানুষের সম্মান রক্ষা করা সমাজের মূল ভিত্তি। আমাদের শক্তি ধৈর্য, ধর্মিয় শিক্ষা ও মূল্যবোধ, সুষ্ঠসামাজিকরণ এবং সুষ্ঠপারিবারিক শিক্ষাতে।”

ইমরান মানুষকে সম্মান জানানোর গুরুত্ব বুঝাতে কুরআনের একটি মূলনীতি তুলে ধরল: “হে মুমিনগণ! পুরুষগণ যেন অপর পুরুষদেরকে উপহাস না করে। তারা (অর্থাৎ যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে) তাদের চেয়ে উত্তম হতে পারে এবং নারীগণও যেন অপর নারীদেরকে উপহাস না করে। তারা (অর্থাৎ যে নারীদেরকে উপহাস করা হচ্ছে) তাদের চেয়ে উত্তম হতে পারে। তোমরা একে অন্যকে দোষারোপ করো না এবং একে অন্যকে মন্দ উপাধিতে ডেক না। ঈমানের পর গুনাহের নাম যুক্ত হওয়া বড় খারাপ কথা। যারা এসব থেকে বিরত না হবে তারাই জালেম।” (সূরা হুজরাত: ১১)।

কয়েক মাস পরে ক্যাম্পাসের পরিবেশ ধীরে ধীরে বদলে যেতে শুরু করলো। ইমরানের আলোচনা তরুণদের মধ্যে গভীর প্রভাব ফেলল। রূপক তার আচরণের ফলাফল দেখল এবং শুরু করলো আত্মপরীক্ষা।

একদিন রাতে, রূপক ইমরানের সামনে অনুশোচনায় বলল, “তুমি আমাকে বদলে ফেললে না শুধু, তুমি আমাকে একটা আয়না দেখালে।” ইমরান বলল, “রূপক, পরিবর্তন কঠিন; কিন্তু অনুশোচনা হলো প্রথম পদক্ষেপ।” সে রূপককে শিক্ষা শিবির, সামাজিক সেবা, এবং মহিলাদের মর্যাদা রক্ষায় সচেতনতা প্রচারে যুক্ত হতে উৎসাহ দিল। রূপক ধীরে ধীরে তার উগ্রতা ছেড়ে শান্ত হলো।

একই সাথে, সেলিম নামের এক যুবক ছিল, যে কেবল বাহ্যিক লেবেলে ধর্মীয় আচরণ করত, কিন্তু অন্তরে তার কোনো দৃঢ়তা ছিল না। ইমরান বুঝল, বাহ্যিক আচরণ নয়, কাজকর্মই মানুষের প্রকৃত পরিচয়। সে সেলিমকেও সামাজিক কাজের মাঝে টেনে আনল। সেলিমও বুঝল যে চরিত্র গঠন হলো জীবনের কাজ।

এক সন্ধ্যায়, ক্যাম্পাস অডিটোরিয়ামে একটি জনসমাবেশ হলো। বিষয়: “ইজ্জত, মর্যাদা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা।” ইমরান সেখানে কুরআনি উদ্ধৃতি, হাদিস ও বাস্তব জীবনের উদাহরণ মিলিয়ে বলল—কীভাবে সম্মান রক্ষা করা যায়। তার বক্তব্যের মূল মর্ম ছিল, সম্মান রক্ষাই সামগ্রিক মুক্তি। সে আল্লাহর এই বাণী দিয়ে তার বক্তব্য শেষ করল: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফ, দয়া এবং আত্মীয়-স্বজনকে (তাদের হক) প্রদানের হুকুম দেন আর অশ্লীলতা, মন্দ কাজ ও জুলুম করতে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদেরকে উপদেশ দেন, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। ” (সূরা নাহল: ৯০)।

ইমরান সবসময় বলত, “আমরা যদি সম্মান রক্ষার কথা বলি, তা অবশ্যই আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে। আমরা অহিংসা ও হিকমত (প্রজ্ঞা) অনুসরণ করব। অপরাধের জায়গায় চাপে প্রতিকার নয়; সুস্পষ্ট শিক্ষা, আইনি সহায়তা এবং সামাজিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে উত্তরণের চেষ্টা করব।” সে জোর দিয়ে বলত যে যুক্তি ও শিক্ষা হাতিয়ার হওয়া উচিত, হিংসা নয়।

ক্যাম্পাসে একটি রিসোর্স সেন্টার (সংগ্রহশালা) প্রস্তুত করা হলো। যেখানে যারা সম্মান রক্ষায় ভঙ্গ হয়েছে এবং যারা ভুল বুঝে অপরাধ করেছে, তারা উভয়েই আসতে পারবে। সেখানে আইনি পরামর্শ, কাউন্সেলিং ও ধর্মীয় উপদেশ সব একসঙ্গে পাওয়া যেতো। এই উদ্যোগে রূপক অংশ নিলো।

শিক্ষার্থীরা বুঝল মর্যাদা রক্ষা মানে অবিচার নয়; মর্যাদা রক্ষা মানে সবার জন্য সুবিচার, সবার জন্য সম্মান। ইমরান বলত, “যে নারী বা যে পুরুষই সম্মান হারিয়ে ফেলে, তার পাশে দাঁড়ানো আমাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।”

বছর কেটে গেল। ক্যাম্পাসের সেই পুকুরতীরের বেঞ্চগুলোতে এখন নতুন মুখ, কিন্তু পুরোনো শিক্ষা অটুট। ইমরান এখন সম্প্রদায়কে নিয়ে বেশি ব্যস্ত। তার নেতৃত্বে তরুণরা সমাজে ছোট ছোট পরিবর্তন আনল। যেখানে আগে অবমাননা চলতো, এখন সেখানে সংলাপ ও সামাজিক সেবা কেন্দ্র খোলা।

এক সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের মাঠে ইমরান দেখল একটি ছোট দল। একটি বিতর্ক চলছে। একজন বলছে, “তুমি শুধু পোশাক দেখে বিচার করবে না। কাজ, বক্তৃতা ও আচরণই বিচার।” হঠাৎ একটি মেয়ে স্থির কণ্ঠে বললো, “আমি আমার আত্মসম্মান রক্ষা করতে চাই, কিন্তু আমি হিংসা চাই না; আমি শিক্ষা চাই।” ইমরানের মুখে মৃদু হাসি। সে দেখল উদ্দেশ্যতে সফলতার ছাপ দেখা যাচ্ছে।

সময়ের সাথে, তাদের সমাজে সম্মান, শিক্ষা ও ন্যায়পরায়ণতার মূলনীতিগুলো জোরালো হয়ে উঠল।

“মানুষের অন্তর বদলে গেলে, সমাজ বদলায়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *