Skip to content
-
Subscribe to our newsletter & never miss our best posts. Subscribe Now!
  • https://www.facebook.com/
  • https://twitter.com/
  • https://t.me/
  • https://www.instagram.com/
  • https://youtube.com/
NRG ALFA ZONE Logo - Education, Technology, AI and Knowledge Platform NRG ALFA ZONE

Your Trusted Source for Education and Technology

NRG ALFA ZONE Logo - Education, Technology, AI and Knowledge Platform NRG ALFA ZONE

Your Trusted Source for Education and Technology

  • Home
  • Home
Subscribe
Close

Search

Trending Now:
HSC Result SSC 2027
সাজেশন
ইসলামি বিয়ে বনাম সামাজিক বিয়ে! কে সঠিক? – মধুবনের অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প ০১
আত্মসম্মানের পাঠ
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
শিশুদের দ্বীন শিক্ষা বিষয়: ছোট বয়সেই আল্লাহর পথে সোনালী শিক্ষা
শিশুদের দ্বীন শিক্ষা: ছোট বয়সেই আল্লাহর পথে সোনালী শিক্ষা
Home/Uncategorized/ইসলামে পুরুষদের জন্য অলঙ্কার: সোনা, রূপা ও শিরক সম্পর্কিত বিধান
Uncategorized

ইসলামে পুরুষদের জন্য অলঙ্কার: সোনা, রূপা ও শিরক সম্পর্কিত বিধান

By ALI ISLAM
September 27, 2025 6 Min Read
0
ইসলামে পুরুষদের জন্য অলঙ্কার

ইসলামে পুরুষদের জন্য অলঙ্কার পরিধানের ক্ষেত্রেও কিছু সুস্পষ্ট বিধান দিয়েছে। এই বিধানগুলো মূলত ভারসাম্য, মধ্যপন্থা এবং শিরক-এর মতো গুরুতর পাপ থেকে দূরে থাকার নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি। পুরুষের জন্য কিছু অলঙ্কার জায়েজ থাকলেও সোনা ও রেশমের মতো নির্দিষ্ট কিছু জিনিস কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর পেছনে যেমন রয়েছে স্বাস্থ্যগত কারণ, তেমনি রয়েছে সামাজিক সাম্য বজায় রাখার দর্শন। তবে, মূল আলোচনার আগে এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ইসলামে প্রতিটি বৈধ কাজের পেছনে একটি নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা নিয়ত থাকতে হবে। যদি কোনো বৈধ কাজও শরিয়ত বিরোধী কোনো নিয়ত, যেমন ভাগ্য পরিবর্তন বা রোগ নিরাময়ের উদ্দেশ্যে করা হয়, তবে তা হারাম হয়ে যায়।

১. পুরুষের জন্য সোনার আংটি: কোরআন ও হাদিসের আলোকে

ইসলামে পুরুষের জন্য সোনা ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এই নিষেধাজ্ঞা কোরআনের কোনো সরাসরি আয়াত দ্বারা আরোপিত না হলেও, অসংখ্য সহিহ হাদিসের মাধ্যমে এটি প্রমাণিত। এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে বেশ কিছু যুক্তি রয়েছে, যা হাদিস ও ইসলামি পণ্ডিতদের ব্যাখ্যায় পাওয়া যায়।

হাদিসের প্রমাণ:

  • আবূ মুসা আল-আশ’আরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য রেশম ও সোনা হারাম করা হয়েছে, আর নারীদের জন্য তা হালাল করা হয়েছে।” (সুনান আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৫১৪৬, সুনান আত-তিরমিযী, হাদিস নং ১৭২০) এই হাদিসটি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং পুরুষের জন্য সোনার অলঙ্কার পরিধানের নিষেধাজ্ঞাকে দৃঢ়ভাবে প্রমাণ করে।
  • আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “নবী (সা.) তাঁর ডান হাতে রেশম ও বাম হাতে সোনা নিলেন, তারপর বললেন, ‘এই দুটি আমার উম্মতের পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে’।” (সুনান আন-নাসায়ী, হাদিস নং ৫১৪৫, সুনান আবূ দাউদ, হাদিস নং ৪০৫৭) এই হাদিসটিও একই নিষেধাজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করে।
  • রাসুলুল্লাহ (সা.) একটি হাদিসে এক সাহাবীর হাতে সোনার আংটি দেখে তা ফেলে দিতে বলেন। আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তির হাতে সোনার আংটি দেখে তা খুলে ফেলে দিলেন এবং বললেন, “তোমাদের একজন ইচ্ছাকৃতভাবে জাহান্নামের আগুন তার হাতে পরিধান করছে।” (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২০৯০) এই হাদিসটি নিষেধাজ্ঞাটিকে কতটা কঠোরভাবে দেখা হয়েছে তার প্রমাণ।

ফিকহী ব্যাখ্যা:

ইসলামের সকল প্রধান ফিকহী মাযহাব (হানাফি, শাফেঈ, মালেকি, হাম্বলী) একমত যে, পুরুষের জন্য সোনা ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে হারাম। এর মধ্যে সোনার আংটি, চেইন, ঘড়ি বা অন্য কোনো অলঙ্কার সবই অন্তর্ভুক্ত। কিছু ক্ষেত্রে, চিকিৎসা বা দাঁত মেরামতের মতো প্রয়োজনে খুব সামান্য সোনা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তবে তা অলঙ্কার হিসেবে নয়।

২. পুরুষের জন্য রূপার আংটি: বিধান ও শর্তাবলী

পুরুষের জন্য রূপার আংটি পরা জায়েজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও রূপার আংটি পরতেন, যা অসংখ্য সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তবে, এরও কিছু শর্ত রয়েছে, যা মেনে চলা আবশ্যক।

হাদিসের প্রমাণ:

  • আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত, “রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আংটি ছিল রূপার।” (সহিহ আল-বুখারী, হাদিস নং ৫৬৪৩, সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২০৯২)। এই হাদিস থেকে স্পষ্টতই বোঝা যায় যে, রাসুল (সা.) রূপার আংটি ব্যবহার করতেন।
  • অন্য হাদিসে এসেছে যে, রাসুল (সা.)-এর আংটিটি ছিল রূপার এবং এর উপর “মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ” খোদাই করা ছিল। এই আংটিটি তিনি মোহর হিসেবে ব্যবহার করতেন। (সহিহ আল-বুখারী, হাদিস নং ৫৮৭১)।

শর্তাবলী:

যদিও রূপার আংটি পরা জায়েজ, তবে এর কিছু শর্ত রয়েছে:

  • ওজন: আলেমগণ রূপার আংটির ওজনের ব্যাপারে মতভেদ করেছেন। কিছু আলেম মনে করেন, এর ওজন এক মিসকাল (প্রায় ৪.২৫ গ্রাম) এর বেশি হওয়া উচিত নয়। ইবন আবী শায়বা (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আলেমগণ এক মিসকালের বেশি ওজনের রূপার আংটি পছন্দ করতেন না।” তবে, এই ওজন সম্পর্কে সরাসরি রাসুল (সা.) থেকে কোনো সুস্পষ্ট নির্দেশনা নেই। তাই, এটি মূলত একটি উত্তম প্রথা হিসেবে বিবেচিত।
  • আঙুল: আংটি সাধারণত ডান বা বাম হাতের কনিষ্ঠা (কানি আঙুল) বা তার পাশের আঙুলে পরা হয়। রাসুল (সা.) কনিষ্ঠা আঙুলে আংটি পরতেন বলে হাদিসে এসেছে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২০৯৪)।

৩. আংটিতে পাথর বা রত্ন বসানো: ইসলামি দৃষ্টিকোণ

রূপার আংটিতে পাথর বা রত্ন বসানো জায়েজ। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আংটিতেও পাথর বসানো ছিল। তবে, এই পাথর বা রত্নকে কোনো বিশেষ ক্ষমতা বা শক্তি আছে বলে বিশ্বাস করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং শিরক-এর অন্তর্ভুক্ত।

হাদিসের প্রমাণ:

  • আনাস (রা.) বলেন, “রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর আংটি ছিল রূপার এবং এর রত্ন ছিল হাবশি।” (সহিহ আল-বুখারী, হাদিস নং ৫৮৬৬)। হাবশি রত্ন বলতে কালো পাথরকে বোঝানো হয়েছে। এই হাদিসটি প্রমাণ করে যে, আংটিতে রত্ন ব্যবহার করা বৈধ।

শিরক-এর মারাত্মক ঝুঁকি:

যখন কেউ কোনো পাথর বা রত্নকে ভাগ্য পরিবর্তন, রোগ নিরাময়, বিপদ থেকে রক্ষা বা অন্য কোনো জাগতিক উদ্দেশ্য সাধনের মাধ্যম হিসেবে বিশ্বাস করে, তখন সে ইসলাম থেকে বিচ্যুত হয়। এটি হলো শিরক ফি সাবাব (কারণ সম্পর্কিত শিরক)। ইসলামে সকল ক্ষমতা ও ভাগ্য পরিবর্তনের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা। কোনো জড় পদার্থ বা সৃষ্টি জীবের এমন ক্ষমতা নেই।

কোরআনের আয়াত:

  • “বলুন, ‘আল্লাহ ছাড়া আসমান ও যমীনে যারা আছে, তারা গায়েব সম্পর্কে কিছুই জানে না। আর তারা জানে না কখন তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে’।” (সূরা আন-নামল, আয়াত ৬৫)।
  • “যদি আল্লাহ তোমাকে কোন ক্ষতি দ্বারা স্পর্শ করেন, তবে তিনি ছাড়া আর কেউ তা দূর করার নেই। আর যদি তিনি তোমার মঙ্গল চান, তবে তার অনুগ্রহকে রদ করার কেউ নেই। তিনি তার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা অনুগ্রহ করেন। আর তিনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।” (সূরা ইউনুস, আয়াত ১০৭)।

এই আয়াতগুলো স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে যে, একমাত্র আল্লাহই মানুষের ভালো-মন্দ করার ক্ষমতা রাখেন।

৪. আংটি বা পাথরের মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন, রোগ নিরাময় বা অন্য কোনো বিশ্বাস: শিরক-এর বিধান

এটি এই আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যদি কোনো ব্যক্তি সোনার আংটি, রূপার আংটি বা অন্য কোনো পাথরের আংটি এই বিশ্বাসে পরে যে, এটি তার ভাগ্য পরিবর্তন করবে, রোগ থেকে বাঁচাবে, বিপদ দূর করবে বা কোনো উপকার করবে, তবে এটি শিরক আকবর (বড় শিরক) এর অন্তর্ভুক্ত। শিরক হলো ইসলামের সবচেয়ে গুরুতর পাপ এবং এর মাধ্যমে ব্যক্তি ইসলাম থেকে বেরিয়ে যায়।

ইসলামি স্কলারদের ব্যাখ্যা:

  • ইমাম ইবন আল-কাইয়্যিম (রহ.) তাঁর গ্রন্থ “আল-জাওয়াব আল-কাফি”-তে বলেন, “যে ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে, কোনো পাথর বা বস্তু তাকে উপকার করতে পারে বা ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে, সে আল্লাহকে বাদ দিয়ে সেটির উপর ভরসা করল এবং এটি হলো শিরক।”
  • শায়খ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন (রহ.) বলেন, “যে ব্যক্তি কোনো জিনিস পরিধান করে, যেমন বালা, তাগা বা আংটি, এই বিশ্বাসে যে, এটি তার থেকে রোগ দূর করবে বা বিপদ থেকে রক্ষা করবে, তাহলে এটি তিন প্রকারের হতে পারে: প্রথমত, সে যদি বিশ্বাস করে যে এটি নিজেই রোগ নিরাময় করে বা বিপদ দূর করে, তবে এটি হলো শিরক আকবর, কারণ সে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যকে ক্ষমতার অধিকারী মনে করল। দ্বিতীয়ত, যদি সে বিশ্বাস করে যে এটি কেবল একটি মাধ্যম, কিন্তু এর উপর ভরসা রাখে, তবে এটি হলো শিরক আসগর (ছোট শিরক)। আর যদি সে বিশ্বাস করে যে এটি কেবল একটি বস্তু যা কিছু উপকারে আসতে পারে কিন্তু এর উপর ভরসা রাখে না, তবে এটিও হারাম এবং তা শিরকের দিকে নিয়ে যেতে পারে।”
  • শায়খ আব্দুল আজিজ বিন বাজ (রহ.) এই ধরনের বিশ্বাসকে সম্পূর্ণরূপে বাতিল ও শিরক বলে ফতোয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, “এগুলো হলো জাহেলিয়াতের যুগের কুসংস্কার। মুসলিমদের উচিত এসব থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকা এবং সকল ক্ষেত্রে একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা রাখা।”

কোরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা:

  • “আর আপনি বলুন, ‘আল্লাহর ইচ্ছাধীন ভালো-মন্দ কিছুই আমি নিজের জন্য লাভ করতে বা ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারি না, তবে যা আল্লাহ চান’।” (সূরা আল-আরাফ, আয়াত ১৮৮)।
  • “আর যদি আল্লাহ তোমাকে কোনো কষ্টের সম্মুখীন করেন, তবে তিনি ছাড়া তা দূর করার আর কেউ নেই। আর যদি তিনি তোমার জন্য কোনো কল্যাণের ইচ্ছা করেন, তবে তার অনুগ্রহকে রদ করার কেউ নেই।” (সূরা ইউনুস, আয়াত ১০৭)।

এই আয়াতগুলো পরিষ্কারভাবে বলে দেয় যে, ভালো-মন্দ, কল্যাণ-অকল্যাণ সব কিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ। কোনো পাথর, আংটি বা অন্য কোনো জড় বস্তুর এমন ক্ষমতা নেই।

৫. দীর্ঘ ব্যাখ্যা: কেন ইসলাম এসব বিশ্বাসকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করে?

ইসলাম তাওহিদ (একত্ববাদ)-এর উপর প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্ম। তাওহিদ মানে হলো আল্লাহকে তাঁর প্রভুত্ব, তাঁর উপাসনা এবং তাঁর নাম ও গুণাবলীতে একক ও অদ্বিতীয় হিসেবে বিশ্বাস করা। যখন কোনো ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে কোনো জড় বস্তু, যেমন পাথর বা আংটি, তার ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে বা রোগ নিরাময় করতে পারে, তখন সে আল্লাহর ক্ষমতার অংশীদারিত্ব অন্য কিছুর উপর আরোপ করে। এটি তাওহিদ-এর মূলনীতির সরাসরি লঙ্ঘন।

এই ধরনের বিশ্বাসের পরিণতি:

  • আল্লাহর সাথে সম্পর্ক নষ্ট: যখন মানুষ কোনো বস্তু বা ব্যক্তির উপর ভরসা করে, তখন তার আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) দুর্বল হয়ে যায়। আল্লাহ কোরআনে বলেন, “আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক, আয়াত ৩)।
  • কুসংস্কারের বিস্তার: এই ধরনের বিশ্বাস সমাজের মধ্যে কুসংস্কার এবং অন্ধত্বকে উৎসাহিত করে। মানুষ সমস্যা সমাধানের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার পরিবর্তে এসব বস্তুর পেছনে ছুটে বেড়ায়।
  • অর্থ ও সময়ের অপচয়: মানুষ এসব পাথর বা রত্ন কেনার পেছনে প্রচুর অর্থ ও সময় ব্যয় করে, যা তারা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষার পেছনে বা জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করতে পারত।

উপসংহার

সংক্ষেপে, আপনার প্রশ্নের উত্তর কয়েকটি ভাগে দেওয়া হলো:

১. পুরুষের জন্য সোনার আংটি: হাদিসের সুস্পষ্ট বিধান অনুযায়ী এটি সম্পূর্ণ হারাম। কোনো অবস্থায়ই কোনো মুসলিম পুরুষ সোনার আংটি বা অন্য কোনো অলঙ্কার পরতে পারবে না।

২. পুরুষের জন্য রূপার আংটি: এটি জায়েজ এবং রাসুল (সা.) এর সুন্নত। তবে, এর ওজন ও পরিধানের নিয়ম-কানুন মেনে চলা উচিত।

৩. আংটিতে পাথর বা রত্ন বসানো: এটি জায়েজ, কারণ রাসুল (সা.) নিজেও তাঁর আংটিতে পাথর ব্যবহার করেছেন।

৪. পাথর বা আংটির মাধ্যমে ভাগ্য পরিবর্তন, রোগ নিরাময় ইত্যাদি বিশ্বাস: এটি সম্পূর্ণ শিরক এবং ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। যদি কোনো পুরুষ সোনার বা রূপার আংটি পরে এই বিশ্বাসে যে এটি তার ভাগ্য পরিবর্তন করবে বা রোগ সারাবে, তাহলে সে শিরক-এর মতো গুরুতর পাপ করছে। এই ধরনের কাজ থেকে সম্পূর্ণভাবে বিরত থাকা প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ।

ইসলামি শরীয়ত আমাদের সহজ, সুস্পষ্ট এবং তাওহিদ-এর উপর প্রতিষ্ঠিত জীবন বিধান দিয়েছে। আমাদের উচিত সকল প্রকার কুসংস্কার ও শিরক থেকে দূরে থেকে একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা রাখা।

Author

ALI ISLAM

Follow Me
Other Articles
Previous

বাংলাদেশের বংশোদ্ভূত Abidur Chowdhury : ক্রেডিটবাজীর আয়না আর আমাদের বাস্তবতা

Next

শিশুদের দ্বীন শিক্ষা বিষয়: ছোট বয়সেই আল্লাহর পথে সোনালী শিক্ষা

No Comment! Be the first one.

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Recent Posts

  • SSC 2027 English Composition Suggestion for All Boards
  • SSC 2027 English Composition Suggestion 2028
  • অন্বেষণ অন্তিম পর্ব বই রিভিউ: অসাধারণ নাকি অতিমূল্যায়িত?
  • ইসলামি বিয়ে বনাম সামাজিক বিয়ে! কে সঠিক? – মধুবনের অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প ০১
  • আত্মসম্মানের পাঠ

Recent Comments

  1. লোকমান আহমদ on অন্বেষণ অন্তিম পর্ব বই রিভিউ: অসাধারণ নাকি অতিমূল্যায়িত?

Archives

  • May 2026
  • October 2025
  • September 2025

Categories

  • English Composition Suggestion
  • Uncategorized
  • ইসলামিক বিধান
  • শিক্ষক ও শিক্ষার্থী
PutulHost Banner
NRG ALFA ZONE Logo - Education, Technology, AI and Knowledge Platform

একটি শিক্ষামূলক ও তথ্যভিত্তিক বাংলা প্ল্যাটফর্ম, যেখানে শিক্ষা, প্রযুক্তি, ইসলামিক জ্ঞান, চাকরির তথ্য, শিক্ষার্থীদের সহায়ক উপকরণ এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় রিসোর্স প্রদান করা হয়।

আমাদের লক্ষ্য হলো নির্ভরযোগ্য, সহজবোধ্য এবং মানসম্মত তথ্যের মাধ্যমে শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী এবং সাধারণ পাঠকদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

Contact us: admin@nrgalfazone.top

জনপ্রিয়

  • SSC 2027 English Composition Suggestion for All Boards
  • SSC 2027 English Composition Suggestion 2028
  • অন্বেষণ অন্তিম পর্ব বই রিভিউ: অসাধারণ নাকি অতিমূল্যায়িত?
  • ইসলামি বিয়ে বনাম সামাজিক বিয়ে! কে সঠিক? – মধুবনের অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প ০১
  • আত্মসম্মানের পাঠ
Copyright 2026 - NRG ALFA ZONE. All rights reserved. NRG ALFA ZONE